আরিফ আজাদ বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় এ লেখক। ওনার সবগুলো বই পাঠক মহলে খুবুই জনপ্রিয়৷ আরিফ আজাদের হায়াতের দিন ফুরোলে বই পাঠক হৃদয়ে সাড়া ফেলেছে। বইটির সত্যায়ন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে ৷ আপনি আরিফ আজাদ এর লেখা হায়াতের দিন ফুরোলে পিডিএফ অনলাইনে খুঁজে থাকলে এই পোস্টটি পুরো পড়তে থাকুন। বইটি পড়ার আগে আরিফ আজাদের প্রকাশিতব্য ‘হায়াতের দিন ফুরোলে’ বই এ ফুটে ওঠা ভাবনার অংশ নিচে থেকে পড়ে নিনঃ
হৃদয়ের রোগ (হায়াতের দিন ফুরোলে বই থেকে)
একবার ফেসবুকের ছোট একটা পোস্টে লিখেছিলাম—‘গর্ভবতী নারী কখনোই রোগী নয়। দুনিয়াতে কোনো রোগীই তার রোগকে শরীরের ভেতরে আদর-যত্ন করে বড় করে তোলে না। গর্ভবতী নারী একজন যোদ্ধা, একজন মহীয়সী। সে তার ভেতরে বড় করে তোলে আস্ত একটা পৃথিবী।
- Title: হায়াতের দিন ফুরোলে (বই লিংক)
- Author: আরিফ আজাদ
- Publisher: সত্যায়ন প্রকাশন
- Edition: 1st Published, 2024
- Number of Pages: 184
- Category: ইসলামি আত্ম-উন্নয়নমূলক বই
- Country: বাংলাদেশ
- Language: বাংলা
Buy Now
হায়াতের দিন ফুরালে বই
হায়াতের দিন ফুরিয়ে গেলে নিভে যাবে জীবনের প্রদীপ। সেই অবধারিত, অনিবার্য ক্ষণটা চলে আসার আগে, আমরা আরেকবার জীবনের পেছনে তাকাতে পারি। নতুনভাবে করতে পারি অনেক হিশেব-নিকেষ। সেই হিশেব-নিকেষের ঘটনায়, ‘হায়াতের দিন ফুরোলে’ বইটা আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
যে স্বপ্ন জীবনের চেয়ে বড় (হায়াতের দিন ফুরোলে বই থেকে)
‘দ্বীন থেকে দূরে চলে যাওয়া’—আজকালকার সময়ে খুব নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এত দিন নিয়মিত সালাত আদায় করেছে, অশ্লীলতা থেকে দূরে থেকেছে, দৃষ্টির হেফাজত করেছে, কিন্তু হঠাৎ করে কী যে হলো—সালাতে এখন অনিয়মিত, অশ্লীলতার মাঝে হাবুডুবু এবং দৃষ্টি হেফাজতের কোনো বালাই পর্যন্ত নেই। এমন অবস্থায় পতিত হয়ে অনেকে জিগ্যেশ করেন, ‘ভাই, দ্বীন থেকে দূরে সরে যাচ্ছি ধীরে ধীরে। আগের মতো টান কাজ করে না, ইবাদাতে স্বাদ পাই না। কী করতে পারি, বলেন তো?”
আমল-ইবাদাত করতে হিমশিম খাওয়া, মনের অস্থিরতার জন্য সালাতে মনোযোগ কমে যাওয়া কিংবা বিভিন্ন পেরেশানির কারণে দ্বীনের সকল আহকাম পালনে পেরে না ওঠা এক জিনিস, দ্বীন থেকে ছিটকে যাওয়া, সালাত ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি সম্পূর্ণ অন্য জিনিস। প্রথম প্রকারের নিরাময় সহজ এবং ক্ষেত্রবিশেষে এটা আরও দুর্দান্তভাবে দ্বীনে প্রবেশের পথ তৈরি করে। কিন্তু দ্বিতীয় প্রকারের নিরাময় অত্যন্ত কঠিন এবং এটা অন্তরে এমন এক মরিচা ধরিয়ে দিয়ে যায় যা অনেক সময় মানুষকে কুফরের পথে পর্যন্ত ধাবিত করে।
আপনি সালাতে যাচ্ছেন, কিন্তু মনে হচ্ছে সালাত পড়ে আগের মতো তৃপ্তি পাচ্ছেন না। এই তৃপ্তি না পাওয়া আপনাকে অস্থির করে তোলে। সালাতে খুশু তথা প্রশান্তি কীভাবে আনা যায় সেই চিন্তায় আপনি বিভোর হন। আগে বেশ আমল করতেন, নফল ইবাদাতের কোনোকিছুই ছুটে যেত না। কিন্তু আজকাল ফরজ আদায় করতেই হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন। আপনার মনের মধ্যে একটা যুদ্ধ শুরু হয়—আগের মতো আমল-ইবাদাতে ফেরার যুদ্ধ। এই যদি হয় আপনার অবস্থা, তাহলে সাধুবাদ। আপনার অন্তরে এখনো একটা আলো বিদ্যমান আছে যা আপনাকে রাস্তা দেখিয়ে যাবে। সালাতে খুশু ফিরে পাওয়ার এই হাপিত্যেশ, দ্বীনে পুরোপুরিভাবে ফিরে আসার এই যুদ্ধ সেই আলোরই প্রতিফলন।
সালাতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সালাতে যাওয়ার বা জায়নামাজে দাঁড়ানোর কোনো তাগাদা আপনি ভেতরে অনুভব করছেন না, যেকোনো হারাম জিনিসে অনায়াসে ডুবিয়ে দিচ্ছেন চোখ, অশ্লীলতায় গা ভাসাতে আপনার ভেতর দ্বিতীয় কোনো চিন্তা, কোনো ভয় কাজ করছে না, হারাম উপার্জনে পকেট ভরাতেও আপনার ভেতরটা বিদ্রোহ করে বসছে না- এই যদি হয় ঘটনা, তাহলে আপনার অন্তরের শেষ আলোটুকুও আর অবশিষ্ট নেই। সেখানে প্রকট হয়েছে নিকষ কালো অন্ধকার।
‘দ্বীন থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, কী করতে পারি’—এই প্রশ্নটা যারা করেন, তাদেরকে আমি পালটা একটা প্রশ্ন করতে চাই। ‘দ্বীনের জন্য প্রতিদিন কতখানি সময় আপনি বরাদ্দ করতে প্রস্তুত?’
প্রশ্নটা শুনে অনেকে মাথা চুলকান। অনেক ভেবেচিন্তে বলেন, ‘আসলে, জীবনে এত ব্যস্ততা, কাজের এত চাপ যে-সব সামলে ওঠা মুশকিল হয়ে পড়ে!’
যে স্বপ্ন জীবনের চেয়ে বড় (হায়াতের দিন ফুরোলে বই থেকে)
‘দ্বীন থেকে দূরে চলে যাওয়া’—আজকালকার সময়ে খুব নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এত দিন নিয়মিত সালাত আদায় করেছে, অশ্লীলতা থেকে দূরে থেকেছে, দৃষ্টির হেফাজত করেছে, কিন্তু হঠাৎ করে কী যে হলো-সালাতে এখন অনিয়মিত, অশ্লীলতার মাঝে হাবুডুবু এবং দৃষ্টি হেফাজতের কোনো বালাই পর্যন্ত নেই। এমন অবস্থায় পতিত হয়ে অনেকে জিগ্যেশ করেন, ‘ভাই, দ্বীন থেকে দূরে সরে যাচ্ছি ধীরে ধীরে। আগের মতো টান কাজ করে না, ইবাদাতে স্বাদ পাই না। কী করতে পারি, বলেন তো?’
এছাড়াও বইয়ের আরো কিছু ভাবনাংশ (হায়াতের দিন ফুরোলে বই থেকে)
একজন বৃদ্ধকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, সে আবার যৌবন ফিরে পেলে কি করতে চায়, আমার মনে হয় তার উত্তর হবে অতীতের ভুলগুলো থেকে মুক্তি পেতে চাই।
আমরা তরুণ বয়সেই সবচেয়ে বেশি ভুল করি। কিন্তু ভুল স্বীকারে অনেক আপত্তি, কারণ পৃথিবীর অদ্ভুত রঙিন চশমা আমাদের চোখে ল্যাপ্টে থাকে। উর্বর যৌবন জীবনের বসন্ত কাল। এই বসন্ত সঠিকভাবে কাজে লাগাতে না পারলে আপনার জীবনটা হবে চৌত্রের চৌচির শুকনো মাঠ।
তরুণ্যের সময়টা সবসময় বিপদে পরিপূর্ণ। হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, ধ্বংসে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা। সভ্যতা বিনষ্টকারীদের সর্বপ্রথম লক্ষ্যবস্তুতে থাকে সেই সভ্যতার তরুণেরা। সেটা পৃথিবীর প্রথম থেকে আজকের ভ্রষ্ট দুনিয়ার নির্মিত তথাকথিত সভ্যতার দিকে তাকিয়ে দেখুন-যুবকদের চরিত্র হননের এমন কোন পন্থা নেই যা তারা এই রঙ্গমঞ্চে হাজির করেনি। আধুনিক যামানা যেনো সেই পালে যোগ করেছে অনিঃশেষ হাওয়া।
আজকের টিভি, বিলবোর্ড, ওটিটি প্লাটফর্ম, কম্পিউটার, মোবাইল এমন কোন জায়গা নেই যেখানে অসভ্যতা আর অশ্লীলতা প্রবেশ করেনি? যৌবন হারানো, তরুণ এমনকি কিশোরেরাও এর ছোবল থেকে মুক্ত নয়। কিন্তু এই ভ্রষ্টতার প্রধান টার্গেট সমাজের তরুণ যাদেরকে ঘায়েল করা গেলে ভেঙে দেওয়া যায় যেকোনো অগ্রগতি।
শয়তান খুব ভয়ংকরভাবে আমাদের মনস্তত্ত্ব নিয়ে খেলতে পারে। সে আমাদের এই কথা বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে-আমাদের যেহেতু অনেক..(বাকিটা হায়াতের দিন ফুরোলে বই থেকে পড়ুন)
আরিফ আজাদের সকল বই
- লেখক আরিফ আজাদের সকল বই প্রয়োজন হলে নিচে থেকে মূল্য দেখে নিতে পারেনঃ
- হায়াতের দিন ফুরোলে: মূল্য দেখুন
- প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ: মূল্য দেখুন
- প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২: মূল্য দেখুন
- বেলা ফুরাবার আগে: মূল্য দেখুন
- জীবন যেখানে যেমন: মূল্য দেখুন
- কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ: মূল্য দেখুন
- এবার ভিন্ন কিছু হোক: মূল্য দেখুন
- মা, মা, মা এবং বাবা: মূল্য দেখুন
- নবি জীবনের গল্প: মূল্য দেখুন
- প্রত্যাবর্তন: মূল্য দেখুন
- আরজ আলী সমীপে: মূল্য দেখুন
- জবাব: মূল্য দেখুন
- গল্পগুলো অন্যরকম: মূল্য দেখুন
- গল্পের ক্যানভাসে জীবন: মূল্য দেখুন
হায়াতের দিন ফুরোলে Download link
Download PDF
বই রিভিউ নিয়ে আরো পড়ুন এখানে
Comments (0)